Saturday, July 7, 2018

কিভাবে ভালবাসতে হয় ? How to love?

“আমি তোমার জন্য যতই করি তাও তুমি কখনোই খুশি হওনা । কি চাও টা কি তুমি আমার কাছে ? তোমার কাছে তো আমার জন্য টাইমই নেই , সবসময় কি এতো ব্যস্ত থাকো তুমি ?”

বেশির ভাগ রিলেশনেই কিন্তু ভালবাসার অভাবে নয় বরং দূজন দুজনার ভালবাসা অনুভব না করার কারণে শেষ হয়ে যায় ।  দুজন মানুষের সম্পর্ক কখনো এক থাকেনা । দিন দিন খারাপ হতে থাকে আর নাহলে ভাল হতে থাকে ।

যদি কোনো মানুষের কাছে এই পৃথিবীর সবকিছু থাকে কিন্তু শুধু তার প্রিয়জনদের ভালবাসা না থাকে তাহলে সেই মানুষটাই পৃ্থিবীর সব থেকে দুঃখীদের একজন । এমন অনেক স্বামী স্ত্রী আছে যারা বিয়ের পর ২০ বছর অব্দি শুধুমাত্র রুমমেটের মত একে অপরের সাথে জীবন কাটিয়ে দেয় । তারা কখনো একে অপরের প্রতি ভালবাসা অনুভব করতে পারেনা । রিলেশনশীপ এক্সপার্ট ডক্টর চ্যাপম্যান বলেন, যেমন আমাদের সবার একটি মুখ্য মাতৃভাষা আছে , যে ভাষাটা আমরা ভাল বুঝতে পারি আর বলতে পারি , ঠিক তেমনি আমাদের প্রত্যেকের আলাদা আলাদা প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজও আছে । যে ভাষাতে আমরা ভালবাসাটা সবথেকে ভাল অনুভব করতে পারি । আমাদের সবার ভেতরে একটা ইমোশনাল লাভ ট্যাংক থাকে । আমরা আমাদের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজে ভালবাসাটা পেলে ওই ট্যাংকটা সবথেকে বেশি ভরে উঠে । আর যখন আমাদের ভালবাসা পাওয়াটা বন্ধ হতে থাকে তখন ধীরে ধীরে এই লাভ ট্যাংক টা খালি হতে থাকে । আর এখান থেকে সম্পর্কতে নানারকম সমস্যা সামনে আসতে থাকে । তাহলে কি করে প্রিয়জনদের এই লাভ ট্যাংক টা কে ভর্তি রাখা সম্ভব সেটা আজ আমি আপনাদের সাথে "Gary Chapman" এর বই "The  5 love language"  থেকে শেয়ার করতে চলেছি ।

রিলেশনশীপের এক বা দুই বছর অব্দি আমরা একটা ঘোরের মধ্যে থাকি । আমার জন্য সে হয়তো একদম পারফেক্ট ! আর এই ঘোরের মধ্যে আমরা তার জন্য কিছু এমন কাজও করি যেটা হয়তো করাটা আমাদের আসলেই পছন্দ না । ডক্টর চ্যাপম্যান এই অবস্থাটা “In love state”  বলেছেন । কিন্তু যখন রিলেশনশীপ পুরোনো হতে থাকে তখন আমরা আমাদের পারফেক্ট পার্টনারের ঘোর থেকে বাইরে বেড়িয়ে আসতে থাকি । তখন আমাদের নিজের প্রিয়জনের ভালর থেকে দোষটাই বেশি নজরে আসতে থাকে । আর একারনেই দিন দিন সে আমাদের কাছে বিরক্তিকর হয়ে উঠতে থাকে । যে কারণে রিলেশনশীপের শুরুতে আমরা যে যে জিনিস তার জন্য করতাম তার মধ্য থেকে করা অনেক জিনিসই আস্তে আস্তে করা কমিয়ে দিতে থাকি । যে কারনে লাভ ট্যাংকও খালি হতে থাকে , আর শেষ অব্দি দুজনের মধ্যে বন্ধনটাও দূর্বল হতে থাকে । একটা দীর্ঘমেয়াদী মজবুত সম্পর্ক গড়ে তোলার জন্য আমাদের এটা বুঝতে হবে যে, এই “In love state” অবস্থায় এটা একটা সাময়িক অবস্থা মাত্র । যখন এই অবস্থাটার সময়সীমা শেষ হয়ে যায় তখন আমাদের একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয় ‘Real love state ‘  এ ঢুকার জন্য, যার জন্য ৩ টা জিনিস খুবই মনে রাখা দরকার ।  


১। Unconditional love
আমাদের সবসময় একটা সিদ্ধান্ত নিতে হয় যে, যেমনই সিচুয়েশন আসুক,  তাতে কখনোই আমি ভালবাসার অভাব হতে দিবনা ।

২। Effort & Discipline
“In love state” সিচুয়েশনে আমাদের “effort”  বা “Discipline”  এর দরকার হয়না । তখন আমরা একটা ঘোরের মধ্যে থাকি । কিন্তু রিয়েল লাভ সিচুয়েশনে এই দুটো জিনিস খুব ইম্পরট্যান্ট । আমাদের নিজের পার্টনার কে সঠিক উপায়ে বুঝে তাকে ভালবাসা অনুভব করাতে হয় । যার জন্য একটু "Effort" আর  "Descipline" এর দরকার পরে ।

৩। Focus on Growth  &  Development
কি করে রিলেশনশীপ কে আরো বেটার বানানো যায় সেদিকে আমাদের মনোযোগ দিতে হয় । কেননা “Real love state’  এ দুজনের মধ্যে বন্ধন নিজে নিজে স্ট্রং হয়ে যায় না, সেটাকে স্ট্রং বানাতে হয় । এর জন্য সবথেকে যেটা বেশি দরকার সেটা হলো নিজের প্রিয়জনের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ কি সেটা জেনে তাকে সেই ল্যাঙ্গুয়েজে বেশিরভাগ সময়ে ভালবাসা ।

নিজের ৩০ বছরের কর্মজীবনের অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে ডক্টর চ্যাপম্যান এই প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ টা বিভাগে ভাগ করেছেন । এর মধ্যে সবার ফার্স্ট ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Words of Affirmation”  । “আরে বাহ! আজতো তোমাকে একদম ফাটাফাটি লাগছে । কি ব্যাপার !” “তুমি কি করে আমায় এতো ভালবাসো ? আমাকেও একটু শেখাও না ।” যে মানুষটির লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ “Words of Afirmation” সে সবথেকে বেশি ভালবাসা অনুভব করে যখন প্রিয়জন তার কাজের জন্য বা তাকে কেমন লাগছে তার জন্য কিছু ভাল কমপ্লিমেন্ট দেয় । যেমন “I love You” এর মত word  শোনা , কেন ভালবাসে সেটা শোনা । এই ধরনের কথাগুলো তাদের মনে সবথেকে বেশি ভালবাসার অনুভুতি জাগায় ।

এবার আপনি হয়তো বলতে পারেন, “ভাই আমিতো ওর মধ্যে কিছুই ভাল দেখিনা ।” এটা কখনো সম্ভব না যে কোনো মানুষের মধ্যে একটাও কোনো ভাল জিনিস নেই । আরে সে অন্তত রোজ গোসল তো করে । যদি আর অন্য কিছু না থাকে তাহলে এর জন্যই আপনি তাকে ভালবাসতে পারেন । এমন অনেক মানুষ আছে যারা রোজ গোসল করেনা । আপনি একটু মন দিয়ে দেখলে এরকম অনেক ভাল কিছু দেখতে পেয়ে যাবেন ।

“হুম, আচ্ছা মেনে নিলাম যে ভাল কিছু আছে, কিন্তু এই ন্যাকা ন্যাকা কথা বলা আমার একদম পছন্দ না।”  তাহলে তো ভাই আপনার জন্য খুবই দূর্ভাগ্যের ব্যাপার । কেননা আপনার পার্টনারের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ যদি এটা হয়, তাহলে শুধুমাত্র এই ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়েই তার লাভ ট্যাংক ভরা যেতে পারে । যদি আপনার কাছে আপনাদের রিলেশনশীপটা সত্যিই গুরুত্বপূ্র্ণ হয় , তাহলে ভাই শিখে নিন প্লিজ, একটা ছোট স্কিল মাত্র । শিখে নিলে ক্ষতি কি !

দ্বিতীয় ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Quality Time” । “আমার জন্যতো তোমার কাছে টাইমই নেই ।” যদি আপনার পার্টনার সবসময় এই অভিযোগটি করে তাহলে হতে পারে তার প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ “Quality Time” । যার মানে সে আপনার কাছে দিনের মাঝে সামান্য কিছু সময়ের জন্য আপনার অপেক্ষা করে । যেখানে আপনি পুরোপুরি ভাবে শুধু তার সাথে থাকবেন, শুধু তার ব্যাপারেই ভাববেন, তার সাথে কথা বলবেন বা তার সাথে একসাথে কোনো কাজ করবেন । এরকম না যে টিভি দেখতে দেখতে দু চারটে কথা বলে নিলাম, কাল বাজার থেকে কি কিনে আনতে হবে ?  না। কোনো মোবাইল না, কোনো টিভি না, জিরো ডিস্ট্রাকশন । শুধু আপনি আর সে দুজনে দুজনের চোখে চোখ রেখে কিছুক্ষণের জন্য শুধু মনের কথাগুলো বলা ।

তৃ্তীয় ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Receiving Gifts”।
“আমার কাছে নিজের জন্যই কিছু কেনার টাকা নেই, আমি কিভাবে তার জন্য গিফট কিনব ?”  কে বলেছে যে আপনাকে গিফট কিনতে হয় ? মনে পরে ছোটবেলায় আপনি যখন বাগান থেকে ফুল তুলে এনে আপনার মা কে দিতেন, তখন আপনার মা আপনার হাত থেকে সে ফুলটা পেয়ে কত খুশি হতেন ! যদি আপনার পার্টনারের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ এটা হয় তাহলে আপনি এক্সপেরিমেন্ট করার জন্য এই টেকনিকটা এপ্লাই  করে দেখুন । প্রতি সপ্তাহে যে কোনো বাগান থেকে হোক, যেখান থেকে হোক, কিছু ভিন্ন ধরনের ফুল সংগ্রহ করে তাকে গিফট করুন । আর বলুন, “আমার তরফ থেকে তোমার জন্য একটা ছোট্ট উপহার এটা ।” দেখবেন সে এইটুকুতেই কতটা খুশি হয় ।

চতুর্থ ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Acts of Service” ।
“আজ তোমার জন্য আমি চা বানাবো, তুমি শুধু চিনিটা বেশি হলে বলো” । যার লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ এটা হয় সে তখনি সবথেকে বেশি খুশি হয় যখন তার প্রিয়জন তার কোনো কাজে সাহায্য করে । “দাও তো দেখি আজ এ কাজটা আমি তোমার জন্য করি ” । মানে যখন কেউ তার রেসপন্সিবিলিটিজ গুলো কিছু বলার আগেই নিজেই নিজের সাথে শেয়ার করে নেয় । যেমন, ঘরের কাজে সাহায্য করা, বাচ্চাদের স্কুলে নিয়ে যাওয়া । “আচ্ছা, তারমানে এখন আমায় বাসনও মাজতে হবে” – অসম্ভব ! যদি এই কথাগুলো শোনার পর যদি এটা আপনার রিএকশন হয়, তাহলে আমি আপনাকে একটা ছোট্ট গল্প শোনাতে চাই ।

“একদিন রাতে খাওয়ার সময় ডক্টর চ্যাপম্যানের স্ত্রী তিনিকে বলেন, দেখো জানালাগুলোর উপর কি ময়লা জমে গেছে । ডক্টর চ্যাপম্যান সেদিকে তাকিয়ে গম্ভীর গলায় শুধু বলেন “হুম” । আর তারপর আবার উনি মাথা নামিয়ে নিজের খাবার খেতে শুরু করে দেন । পরেরদিন সকালে যখন উনার স্ত্রী ঘুম থেকে উঠে সেখান যান তখন উনি দেখেন ডক্টর চ্যাপম্যান সেখানে জানালাগুলো পরিস্কার করার চেষ্টা করছেন । এসব দেখে উনার স্ত্রী উনাকে জিজ্ঞাসা করলেন, এটা তুমি কি করছো? ডক্টর চ্যাপম্যান উত্তর দেন, কিছুনা, এই একটু ভালবাসা প্রদানের চেষ্টা করছিলাম আর কি ! এই কথাটা শুনে উনার স্ত্রী খুশিতে কেদে ফেললেন । আর সে ডক্টর চ্যাপম্যান কে বলেন, তুমি জানো? তুমি এই পৃ্থিবীর সবথেকে ভাল স্বামী!
এবার বলুন, আপনি কি বাসন মাজবেন ?

পঞ্চম ল্যাঙ্গুয়েজ হলো “Physical Touch”   ।
না না ভাই, খারাপ দিকের কথা বলছি না । মনে আছে ছোটবেলায় যখন সারাদিন পর আপনার বাবা অফিস থেকে বাড়ি ফিরত, আর আপনি ছুটে গিয়ে আপনি হাত দিয়ে উনাকে জরিয়ে ধরার চেষ্টা করতেন ! এখানে সেই ফিজিক্যাল টাচের কথা বলা হচ্ছে । ফিজিক্যাল টাচ কে খুবই পাওয়ারফুল লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে মনে করা হয় । এটা এতোটাই পাওয়ারফুল, একটা ছোট্ট শিশু যে কিনা কোনো ল্যাঙ্গুয়েজই বুঝেনা, সেও এই ল্যাঙ্গুয়েজটা কে অনুভব করতে পারে । চুমু দেয়া, সুরসুরি দেয়া, এইসব জিনিস থেকে সে ভালবাসার অনুভুতি পায় । বড়দের জন্য ভালবাসা অনুভব করানোর জন্য ঠিক এরকমই কিছু জাদুর মত কাজ করে । 


ঠিক যেমন নিজের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজে ভালবাসা পেলে নিজের লাভ ট্যাংক সবথেকে বেশি ভরে উঠে, তেমনি নিজের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজের নেগেটিভ কিছু পেলে সে সেই মানুষটির লাভ ট্যাংক তত তাড়াতাড়ি খালি হতে থাকে । যেমন যার প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ “words of affirmation”,  তাকে কথায় কথায় ইনসাল্ট করা । যার প্রাইমারী ল্যাঙ্গুয়েজ ‘Physical Touch”,  তার উপর কোনো কারণে হাত তোলা । এইসব জিনিসগুলো তাদের ক্ষেত্রে রিলেশনশীপের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে ।

এবার প্রশ্ন হলো, “কোনো মানুষের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজটি কি সেটা কিভাবে জানা সম্ভব”? এর জন্য আপনাকে একটু মন দিয়ে অবজার্ভ করতে হবে । যখন সেই মানুষটা খুশি হয়, ভালবাসা প্রদর্শনের চেষ্টা করে, তখন সে কোন ল্যাঙ্গুয়েজটা সবথেকে বেশি ব্যবহার করে ? কেননা উনার যে ল্যাঙ্গুয়েজটা সবথেকে বেশি পছন্দ, যে ল্যাঙ্গুয়েজে উনি সবথেকে বেশি কমফোরটেবল, উনি বেশির ক্ষেত্রেই সেই ল্যাঙ্গুয়েজেই অপরকে ভালবাসা দেয়ার চেষ্টা করেন । যদি আমি কাউকে ভালবাসি তো সর্বাধিক আমার যে জিনিসটা পছন্দ, আমি তাকে সেই জিনিসটাই বেশি দেয়ার চেষ্টা করব । তো এভাবেই আপনি জানতে পারেন ।

ডক্টর চ্যাপম্যানের মতে লাখের মধ্যে একটা কেইস এরকম হয় যেখানে দুজন লাইফ পার্টনারের লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ একই রকমের হয় । কিন্তু যদি একটা সুস্থ স্বাভাবিক, দীর্ঘমেয়াদী, হ্যাপী রিলেশনশীপ পেতে হয়ে হয় তাহলে একে অপরের প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজে ভালবাসা প্রদান করাটা খুবই দরকার । হ্যা তবে শুধু এরকম না যে শুধু প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজেই ভালবাসতে হবে ! বাকি চারটি ল্যাঙ্গুয়েজও মাঝে মাঝে ইউজ করা দরকার । কিন্তু সবথেকে বেশি প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজটা ব্যবহার করা জরুরী । কেননা সেটা ছাড়া লাভ ট্যাংক কখনো পুরোপুরি ভর্তি হবেনা । ঠিক যেমন ভালবাসার অনুভুতিটা এই পৃ্থিবীর সবথেকে ভাল অনুভুতিগুলোর মধ্যে একটা , তেমনি ভালবাসা না পাওয়ার অনুভুতি এই পৃ্থিবীর সবথেকে কষ্টদায়ক অনুভুতিগুলোর মধ্যে একটা । এজন্য আমাদের সবার “The 5 Love Language” এর ব্যাপারে জানা খুবই জরুরি । আর এই কারনে আপনার কাছে আমার একটা ছোট্ট রিকুয়েস্ট, এই লেখাটি আপনি আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করে তাদেরও সুযোগ করে দিন এই ‘5 love language’ সম্পর্কে জানার জন্য । কারণ যাতে শুধু আপনি নন, বরং তারাও আপনার প্রাইমারী লাভ ল্যাঙ্গুয়েজটাকে চিনে সেই ল্যাঙ্গুয়েজে আপনাকে ভালবাসা প্রদান করে । আর আমরা সবাই একটা শান্তিপূর্ণ রিলেশন গড়তে পারি ।

যদি এই লেখাটুকু আপনার জীবনে একটু হলেও উপকারে আসে তাহলে অবশ্যই আপনার ভাললাগার একটা চিহ্ন রেখে যাবেন এই পোষ্টে । আবারো দেখা হবে । ততক্ষন অব্দি সবাই ভাল থাকবেন ।                                                                                                                                                 - শিশির ইসলাম

No comments:
Write comments